শনিবার, নভেম্বর ২৬, ২০২২

বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ সবার আগে

পদ্মা সেতু: স্বপ্ন থেকে বাস্তবের পথরেখা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পদ্মা সেতু এখন যান চলাচলের জন্য প্রস্তুত। ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতু বেঁধেছে দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীসহ মধ্যাঞ্চলকে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

দক্ষিণাঞ্চলকে গোটা দেশের সঙ্গে বাঁধতে পদ্মার বিশাল জলরাশির উপর সেতুর স্বপ্ন বহু দিনের, যা আজ বাস্তব।

কাজ শুরুর আগে

১৯৯৮-৯৯: পদ্মা নদীর উপর সেতু নির্মাণের প্রাক-সম্ভাব্যতা সমীক্ষা।

৪ জুলাই ২০০১: পদ্মা সেতুর ভিত্তিস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

২০০৩-০৫: সম্ভাব্যতা সমীক্ষা হয়। ২০০৪ সালে জাইকা একটি সমীক্ষা চালিয়ে মাওয়া-জাজিরা পয়েন্টে সেতু নির্মাণের পরামর্শ দেয়।

২০০৬: পদ্মা সেতুর জন্য জমি অধিগ্রহণের প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হয়। অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয় ২০০৯ সালে।

২৮ অগাস্ট ২০০৭: অনেক দিন চাপা থাকার পর পদ্মা সেতু প্রকল্পের অনুমোদন দেয় সেনানিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের একনেক। তখন প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছিল ১০ হাজার ১৬২ কোটি টাকা।

পদ্মা সেতু উদ্বোধন হবে আগামী ২৫ জুন, সেই সুখবরের ঘোষণা এখন ঢাকার পথে পথে। সচিবালয়ের সামনের সড়কে রয়েছে এমন বিভিন্ন ফেস্টুন। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি
পদ্মা সেতু উদ্বোধন হবে আগামী ২৫ জুন, সেই সুখবরের ঘোষণা এখন ঢাকার পথে পথে। সচিবালয়ের সামনের সড়কে রয়েছে এমন বিভিন্ন ফেস্টুন। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে যাত্রা

২০০৯-১১: সরকার গঠনের পর পুরোদমে কাজ শুরু করে আওয়ামী লীগ সরকার। এই সময়ে বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন করা হয়। দায়িত্ব পায় নিউজিল্যান্ডভিত্তিক মাউনসেল লিমিটেড।

১১ এপ্রিল ২০১০: মূল সেতুর দরপত্র আহ্বান করে আওয়ামী লীগ সরকার।

১১ জানুয়ারি ২০১১: রেলপথ যুক্ত করে ২০ হাজার ৫০৭ কোটি টাকায় পদ্মা বহুমুখী সেতু সংশোধিত নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন করে একনেক। ডলারের হিসাবে এই অংক ছিল ২৯১ কোটি। প্রকল্প অনুমোদনের আগেই দাতাদের ঋণপ্রাপ্তি নিশ্চিত করেছিল সরকার।

এপ্রিল ২৮ ২০১১: পদ্মা সেতু নির্মাণে ঋণচুক্তিতে সই করছেন বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি অ্যালেন গোল্ডস্টেইন ও সেতু বিভাগের সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান
এপ্রিল ২৮ ২০১১: পদ্মা সেতু নির্মাণে ঋণচুক্তিতে সই করছেন বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি অ্যালেন গোল্ডস্টেইন ও সেতু বিভাগের সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

বিশ্ব ব্যাংকে ঘূর্ণিপাক

২৮ এপ্রিল ২০১১: পদ্মার বুকে ভাষাশহীদ বরকত ফেরিতে বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠানে আসা সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এনগোজি ওকোনজো ইউয়েলা বলেন, বাংলাদেশের স্বপ্নে অংশীদার হতে পেরে তারা গর্বিত।

১৮ মে ২০১১: জাইকার সঙ্গে সরকারের ৪১ কোটি ৫০ লাখ ডলারের ঋণচুক্তি।

২৪ মে ২০১১: আইডিবির সাথে ১৪ কোটি ডলার ঋণচুক্তি করে সরকার।

৬ জুন ২০১১: এডিবির সাথে ৬১ কোটি ৫০ লাখ ডলারের ঋণচুক্তি।

৩ সেপ্টেম্বর ২০১১: বিশ্ব ব্যাংকের অনুরোধে কানাডায় এসএনসি লাভালিনের কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটির আন্তর্জাতিক প্রকল্প বিভাগের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট রমেশ সাহ ও সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ ইসমাইলকে গ্রেপ্তার করে রয়েল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ। এরপর টরোন্টোতে তাদের বিচারও শুরু হয়।

১০ অক্টোবর ২০১১: অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানান, পদ্মা প্রকল্পে অর্থায়ন স্থগিত করেছে বিশ্ব ব্যাংক। ঢাকায় বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি অ্যালেন গোল্ডস্টেইন জানান, ‘দুর্নীতির’ তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত তারা নেবেন না।

১৪ নভেম্বর ২০১১: দুদকের তদন্তের মধ্যে সেতু বিভাগের সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়াকে বদলি করে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান নিয়োগ।

৫ ডিসেম্বর ২০১১: যোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে।

৩ ডিসেম্বর ২০১২: পদ্মা সেতু প্রকল্পে ‘দুর্নীতির’ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোমবার দুর্নীতি দমন কমিশনে যান সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন।
৩ ডিসেম্বর ২০১২: পদ্মা সেতু প্রকল্পে ‘দুর্নীতির’ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোমবার দুর্নীতি দমন কমিশনে যান সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন।

২৯ জুন ২০১২: ঋণচুক্তি বাতিলের কথা জানায় বিশ্ব ব্যাংক। পরে অন্যান্য দাতা সংস্থাগুলোকে একই পথ ধরতে হয়।

২৩ জুলাই ২০১২: বিশ্ব ব্যাংকের চার শর্তের একটি ছিল দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের অভিযোগের মুখে থাকা কেউ সরকারি দায়িত্বে থাকতে পারবে না। সেই শর্ত মেনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় থেকে পদত্যাগ করেন আবুল হোসেন।

২৪ জুলাই ২০১২: আগেই সেতু সচিব থেকে সরিয়ে দেওয়া মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়াকে ওএসডি করে ছুটিতে পাঠায় সরকার।

২৫ জুলাই ২০১২: লন্ডনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “বিশ্ব ব্যাংক আসুক আর না আসুক। আমরা পদ্মা সেতু করব। আমাদের নিজেদের প্রস্তুতি আছে।”

১৭ সেপ্টেম্বর ২০১২: বিশ্ব ব্যাংকের শর্ত অনুযায়ী পদ্মা সেতু প্রকল্পের ইন্টিগ্রিটি অ্যাডভাইজর মসিউর রহমানকে ছুটিতে পাঠানোর খবর প্রকাশিত হয়।

২০ সেপ্টেম্বর ২০১২: ওয়াশিংটনে বিশ্ব ব্যাংকের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী মুহিতসহ অন্যরা। পদ্মা সেতুতে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত জানায় বহুজাতিক এই আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

১৪ অক্টোবর ২০১২: পদ্মা সেতু নির্মাণে ‘দুর্নীতির’ তদন্ত পর্যবেক্ষণে তিন দিনের সফরে ঢাকায় আসে লুই গাব্রিয়েল মোরেনো ওকাম্পো নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিশ্ব ব্যাংক প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন হংকংয়ের দুর্নীতিবিরোধী স্বাধীন কমিশনের সাবেক কমিশনার টিমোথি টং এবং যুক্তরাজ্যের দুর্নীতি দমন কার্যালয়ের সাবেক পরিচালক রিচার্ড অল্ডারম্যান।

দুর্নীতি দমন কমিশনের বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্বন্ধে আলোচনা হয় এবং দুর্নীতি দমন কমিশনকে তারা নানা রকম পরামর্শ প্রদান করেন। তারা আরও জানান যে বিশ্বব্যাংকের হাতে আরও কিছু তথ্য-প্রমাণ তারা দেখেছেন এবং সেগুলো তারা দুদককে সরবরাহ করার জন্য ব্যবস্থা নেবেন।

১৮ নভেম্বর ২০১২: বিশ্ব ব্যাংক থেকে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও সাক্ষ্য-সাবুদ পাওয়ার পরে নতুনভাবে দুর্নীতির অনুসন্ধান প্রক্রিয়া শুরু করে দুদক।

১ ডিসেম্বর ২০১২: দ্বিতীয় দফায় ঢাকায় আসে বিশ্ব ব্যাংকের তদন্ত পর্যবেক্ষক দল। দুদকের সঙ্গে তদন্ত বিষয়ে এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে তাদের বিস্তৃত আলোচনা হয়। তবে মামলার আসামি কাদের করা হবে, তা নিয়ে মতভেদ নিয়েই তারা ঢাকা ছাড়ে।

২ ডিসেম্বর ২০১২: তদন্ত এবং প্রকল্পের কাজ একসঙ্গে চালাতে সরকার চাইলেও বিশ্ব ব্যাংক জানিয়ে দেয়, মামলা না হলে ঋণ মিলবে না।

১৭ ডিসেম্বর ২০১২: সেতু বিভাগের সাবেক সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়াকে প্রধান আসামি করে সাতজনের বিরুদ্ধে বনানী থানায় মামলা করে দুদক।

পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি বিষয়ে আলোচনার জন্য বিশ্ব ব্যাংকের পর্যবেক্ষক দল রোববার রাজধানীর দুর্নীতি দমন কমিশনে আসেন। ছবি: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/ ঢাকা, ডিসেম্বর ০২, ২০১২
পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি বিষয়ে আলোচনার জন্য বিশ্ব ব্যাংকের পর্যবেক্ষক দল রোববার রাজধানীর দুর্নীতি দমন কমিশনে আসেন। ছবি: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/ ঢাকা, ডিসেম্বর ০২, ২০১২

১৭ ডিসেম্বর ২০১২: মামলার পর ঢাকায় বিশ্ব ব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি অ্যালেন গোল্ডস্টেইন বিবৃতিতে জানান, ওকাম্পো নেতৃত্বাধীন প্যানেল মামলার এজহার পর্যবেক্ষণ করবে। তারপর প্রতিবেদন দেবে। ওই প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই বিশ্ব ব্যাংক সিদ্ধান্ত নেবে, তারা পদ্মা প্রকল্পে থাকবে, না কি থাকবে না।

২৬ ডিসেম্বর ২০১২: রাজধানীর শাহবাগ এলাকা থেকে মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয় দুদক। গ্রেপ্তার করা হয় আরও দুজনকে।

১৬ জানুয়ারি ২০১৩: মোশাররফকে সাময়িক বরখাস্ত করে সরকার। ২০১৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি জামিনে মুক্ত হয়ে বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহারের আবেদন জানান তিনি।

৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩: পদ্মা সেতু নিয়ে সংসদে বিবৃতি দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। নিজস্ব অর্থায়নের পদ্মা সেতু নির্মাণের দিকে যাওয়া এবং তদন্ত ও বিচারের বিভিন্ন দিক সেখানে তুলে ধরেন তিনি।

২৬ অক্টোবর ২০১৪: চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ হওয়ার মধ্য দিয়ে আদালতে পদ্মা সেতু দুর্নীতির মামলার অবসান হয়। আগের মাসের ১৭ সেপ্টেম্বর আদালতে জমা দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনে দুদকের পক্ষে বলা হয়েছিল, পদ্মা সেতু নির্মাণে ‘দুর্নীতি বা ষড়যন্ত্রের’ কোনো প্রমাণ তারা পায়নি।

১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭: কানাডার গণমাধ্যম জানায়, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের যে অভিযোগ তুলে বিশ্ব ব্যাংক ঋণ বাতিল করেছিল তার প্রমাণ পায়নি কানাডার আদালত। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এই মামলার তিন আসামিকে আদালত খালাস দিয়ে আদালত বলেছে, ফোনে আড়ি পেতে সংগ্রহ করা যে তথ্যের উপর ভিত্তি করে প্রসিকিউশন মামলা সাজিয়েছিল তা গাল-গল্প ও গুজব।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা গত ৩১ ডিসেম্বর পদ্মা সেতু ঘুরে আসেন। ফাইল ছবি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা গত ৩১ ডিসেম্বর পদ্মা সেতু ঘুরে আসেন। ফাইল ছবি

নতুন পথে সাহসী যাত্রা

৪ জুলাই ২০১২: অর্থায়ন নিয়ে বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে টানাপড়েনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে বলেন, প্রয়োজনে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হবে।

৮ জুলাই ২০১২: নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু করার রূপরেখা জাতীয় সংসদের সামনে দেন শেখ হাসিনা।

৯ জুলাই ২০১২: নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রিসভা। বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের জন্য এই মুহূর্তে অনুরোধ জানানো হবে না বলে মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নিলেও সংস্থাটি চাইলে আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে অর্থায়ন করতে পারবে।

৯ জুলাই ২০১২: মন্ত্রিসভার বৈঠকে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহের সিদ্ধান্ত হয় এবং আগ্রহীদের কাছ থেকে অনুদান নিতে দুটি ব্যাংক হিসাব খোলা হবে বলে জানানো হয়। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের পক্ষ থেকে অনুদান ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি আসা শুরু হয়।

৯ জুলাই ২০১২: মন্ত্রিসভায় নিজস্ব অর্থায়নে সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্তের পর অর্থমন্ত্রী মুহিত জানান, দাতাগোষ্ঠীর স্থানীয় প্রতিনিধিদের সাথে বসবেন তিনি। পরে তাদের সাথে বৈঠক করে সরকারের অবস্থান জানান তিনি।

৩১ জানুয়ারি ২০১৩: সরকার জানায়, পদ্মা সেতুতে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থ আর নেওয়া হবে না।

১৭ জুন ২০১৪: সেতু নির্মাণে চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপের সঙ্গে চুক্তি করে সেতু বিভাগ।

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মা সেতু প্রকল্পের মূল সেতুর উদ্বোধনের পরপরই ৭ নম্বর পিলারের পাইলিংয়ের কাজ শুরু হয়। ছবি: সাইফুল ইসলাম কল্লোল
মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে পদ্মা সেতু প্রকল্পের মূল সেতুর উদ্বোধনের পরপরই ৭ নম্বর পিলারের পাইলিংয়ের কাজ শুরু হয়। ছবি: সাইফুল ইসলাম কল্লোল

২৬ নভেম্বর ২০১৪: মূল সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

১২ ডিসেম্বর ২০১৫: পদ্মার মূল সেতুর নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জাজিরায় শনিবার পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের মূল সেতু ও নদীশাসন কাজের প্রকল্প ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সাইফুল ইসলাম কল্লোল
জাজিরায় শনিবার পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের মূল সেতু ও নদীশাসন কাজের প্রকল্প ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সাইফুল ইসলাম কল্লোল

৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭: মোট ৪১টি স্প্যানের মধ্যে প্রথমটি বসে সেতুর পিয়ারে।

১০ ডিসেম্বর ২০২০: শেষ স্প্যান বসানোর মাধ্যমে সংযুক্ত হয় মাওয়া-জাজিরা।

পদ্মাসেতুর ৪১তম স্প্যান স্থাপনের মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৃশ্যমান হয়েছে; শেষ স্প্যান বসানোর মাধ্যমে দৃশ্যমান হলো সেতুর মূল কাঠামোর পুরোটা। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান
পদ্মাসেতুর ৪১তম স্প্যান স্থাপনের মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৃশ্যমান হয়েছে; শেষ স্প্যান বসানোর মাধ্যমে দৃশ্যমান হলো সেতুর মূল কাঠামোর পুরোটা। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান

১০ নভেম্বর ২০২১: পদ্মা সেতুতে পিচ ঢালাইয়ের কাজ শুরু হয়।

৪ জুন ২০২২: সেতুর ল্যাম্পপোস্টে প্রথম জ্বলল বাতি।

আলোকিত হল পদ্মা সেতু; শনিবার সন্ধ্যায় ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতুর মাওয়া প্রান্তে ১২ নম্বর স্প্যানে পরীক্ষামূলকভাবে জ্বালানো হয় বৈদ্যুতিক বাতি।
আলোকিত হল পদ্মা সেতু; শনিবার সন্ধ্যায় ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতুর মাওয়া প্রান্তে ১২ নম্বর স্প্যানে পরীক্ষামূলকভাবে জ্বালানো হয় বৈদ্যুতিক বাতি।

৯ জুন ২০২২: পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে সংসদে প্রস্তাব গ্রহণ।

১৪ জুন ২০২২: সেতুর মাওয়া থেকে জাজিরা পর্যন্ত ৪১৫ বাতি একযোগে জ্বলল।

২৫ জুন ২০২২: উদ্বোধন হয়ে গেলো স্বপ্নের পদ্মা সেতু।

সর্বশেষ খবর

ফ্রি IELTS কোর্স সহ যুক্তরাজ্যে স্কলারশিপ পরামর্শ দিতে কক্সবাজারে হচ্ছে UK EDUCATION MEET 2022

বিশেষ প্রতিবেদকঃ যুক্তরাজ্যের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক শিক্ষা লাভের সুযোগ নিয়ে UK Education Meet 2022 শুরু হতে যাচ্ছে কক্সবাজারে। রোববার বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দিনব্যাপী...

জেলা নির্মান শ্রমিকদের ফুটবল টূর্নামেন্ট উদ্বোধন 

টিটিএন ডেস্ক : প্রতি বছরের ন্যায় কক্সবাজার জেলা নির্মাণ শ্রমিক উন্নয়ন সমিতি এবারও আয়োজন করেছে আন্তঃ গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের। শুক্রবার বেলা ৩ টায় শহরের দক্ষিন রুমালিয়ার...

কক্সবাজারে নবান্ন উৎসব ২৬ নভেম্বর

টিটিএন ডেস্ক: ❝ ঋতুর খাঞ্চা ভরিয়া এল কি ধরণির সওগাত? নবীন ধানের আঘ্রাণে আজি অঘ্রাণ হল মাত ❞ -স্লোগানে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট কক্সবাজার ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির...

অঘটনের পর অঘটন ব্রাজিলে- নেইমারের পর এবার কে?

স্পোর্টস ডেস্ক: গোড়ালির চোটে কাতার বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে গেলেন তারকা ব্রাজিল ফরোয়ার্ড নেইমার ও দানিলো লুইজ দা সিলভা। ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে রক্ষণভাগের খেলোয়াড়...