বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২২

বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ সবার আগে

শিশুকে পেটালেন রোহিঙ্গা মাদ্রাসা শিক্ষক

রামু প্রতিনিধি :

রামুতে হেফজ খানায় পড়া না পারার অভিযোগে এক রোহিঙ্গা শিক্ষকের বেদড়ক পিটুনিতে ৭ বছরের এক শিশু ছাত্র গুরুতর আহত হয়েছে। এ ব্যাপারে রামু থানায় অভিযোগ দায়ের করা করেছে ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবার। অভিযোগে মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ বশির আহমদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক বশির আহমদ(৩৫) মুঠোফোনে শিশুটিকে মারধরের কথা স্বীকার করে বলেন, তার আসল বাড়ি হ্নীলা। কথা না শোনায় মেরেছেন বলেও দাবী তার। তবে মারধরের পর অনুতপ্ত হওয়ার কথাও জানান এই শিক্ষক। এদিকে তিনি রোহিঙ্গা কিনা জানতে চাইলে অস্বীকার করেন কিন্তু তার কোন জাতীয় পরিচয়পত্র দেখাতে পারেন নি। পরে যোগাযোগের জন্য একাধিকবার যোগাযোগ করলেও পাওয়া যায়নি।

রামু উপজেলার খুনিয়া পালং ইউনিয়নের কালার পাড়া আবু বক্কর (রঃ) ইসলামিক সেন্টার হেফজ খানায় গতকাল ১৪ সেপ্টেম্বর বুধবার সকাল ৭ টায় এই ঘটনা ঘটেছে। এলাকায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে বলেন, অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক বশির আহমদ দীর্ঘদিন আগে বাংলাদেশে আসে। রোহিঙ্গা হওয়া স্বত্ত্বেও তিনি মাদ্রাসার শিক্ষক কিভাবে হলেন তা নিয়েও আছে প্রশ্ন।

শিক্ষকের পিটুনিতে আহত শিশুটি মাদ্রাসার হেফজ বিভাগে নাজেরার ছাত্র হিসেবে লেখাপড়া করছিলো। আহত শিশুটি টিটিএনকে বলেন, মুখে কাপড় ঢুকিয়ে দিয়ে বেত দিয়ে অনেকক্ষণ মেরেছে। সারা শরীর ব্যাথা হলেও কোন ঔষধ খাওয়াননি ঐ শিক্ষক। তাছাড়া মারধরের বিষয় কাউকে বললে পরেরবার মেরে ফেলার কথাও বলেন।

শিশুটির দাদী দিলুয়ারা বেগম(৭০) জানান, প্রতিদিন সকালে তিনি ভুক্তভোগী শিশুটিকে মাদ্রাসা থেকে আনতে যান। ঘটনার দিন মাদ্রাসায় গিয়ে দেখেন ভুক্তভোগী শিশুটিকে মুখে সাদা কাপড় ঢুকিয়ে কম্বল দিয়ে অন্য দুই মাদ্রাসা শিক্ষার্থী শুইয়ে রেখেছে। তাছাড়া বাইরে অভিযুক্ত শিক্ষক বসে ছিলেন।

কালার পাড়ার সর্দার ও আবু বক্কর (রঃ) ইসলামিক সেন্টার হেফজ খানার দায়িত্বে থাকা সিরাজের কাছে ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, ঘটনার বিষয়ে তিনি অবগত আছেন। অভিযুক্ত শিক্ষক একসময় মরিচ্যার দিকে থাকতেন। আগে একসময় রোহিঙ্গা ছিলেন, পরে ঘরবাড়ি করেছে, বিয়ে করেছে। তবে মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগের সময় কোন কাগজপত্র জমা নেননি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।

এদিকে ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে রামু থানায় অভিযোগের বিষয়ে জানতে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আনোয়ারুল হোসাইন মুঠোফোনে জানান, গতকাল থেকে তিনি থানার বাইরে থাকায় ঘটনার বিষয়টি তার জানা নেই।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবী ভুক্তভোগী শিশুটি এতিম, তার মা-বাবা দুইজনই মারা গেছেন। এলাকায় বিভিন্ন মানুষকে ঘটনাটি বললেও কেউ কোন পাত্তা দিচ্ছে না। সঠিক তদন্তপূর্বক বিচার দাবী পরিবারের।

সর্বশেষ খবর

মহেশখালীতে সন্দেহভাজন ছেলেধরা আটক, শিশু উদ্ধার

মহেশখালী প্রতিনিধি: মহেশখালীতে শিশুসহ পালিয়ে যাওয়ার মুহুর্তে সন্দেহভাজন এক ছেলে ধরাকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) উপজেলার উত্তর নলবিলা দরগাঘোনা নামক এলাকা থেকে তাকে...

১৭ বছর পর পাকিস্তানে পা রাখলো ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল

স্পোর্টস ডেস্ক: দীর্ঘ ১৭ বছর পর পাকিস্তানে পা রেখেছে ইংলিশ ক্রিকেট টিম। দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকালে পাকিস্তান পৌঁছায় তারা। খবর জিও টিভির। বেসামরিক...

সিইসি হাবিবুল আউয়াল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত

ডেস্ক রিপোর্ট: নির্বাচন কমিশন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার পরদিন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর এল। তার একান্ত সচিব রিয়াজ...

কারাগারে পরীক্ষা দিলো মাদক মামলার আসামী

নিজস্ব প্রতিবেদক: কক্সবাজার জেলা কারাগারের এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে চট্টগ্রামে ইয়াবা নিয়ে আটক হওয়া মাদক মামলার আসামি নয়ন শর্মা। বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জেলা কারাগারে চলমান এসএসসি পরীক্ষায়...