রবিবার, জানুয়ারি ২৩, ২০২২

রামুতে প্রিয় খাদ্যের তালিকায় ছোলা-মুড়ি

শিপ্ত বড়ুয়া, রামু:

বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কক্সবাজার জেলা। এই জেলার একটি উপজেলা প্রান্তিক শহর রামু। ইতিহাসের পাতায় নানান বিষয় নিয়ে রামু উপজেলা বিখ্যাত।

সম্প্রতি রামুতে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে ছোলা ও মুড়ি। রামু চৌমুহনীতে প্রতি সন্ধ্যায় ভ্রাম্যমাণ অন্তত পনেরটি দোকান বসে।

ছোলা-মুড়ির সাথে বাহারি স্বাদের নাস্তাও তৈরি করে দোকানিরা। দেশী বেগুন দিয়ে তৈরি করা হয় বেগুনী। ডালের গুড়া দিয়ে তৈরি করা হয় পিয়াজু। পাশাপাশি নানান প্রকার সবজির মিশ্রণে একধরণের সবজি বরাও তৈরি করেন তারা। শীতকাল আসায় আবার অনেক দোকানীকে চালের গুড়ায় সুস্বাদু জিলাপী তৈরি করতেও দেখা যাচ্ছে।

রামু উপজেলার প্রাণকেন্দ্র চৌমুহনী ছাড়াও রামু ক্যান্টনমেন্ট এর আগে পঞ্জেগানা বাজার, কলঘর বাজার, জোয়ারিয়ানালা, গর্জনিয়া বাজার, সিকলঘাটসহ বিভিন্ন স্থানে বসে ছোলা-মুড়ির ভ্রাম্যমাণ দোকান।

জানা গেছে বিশেষ করে সন্ধ্যার সময় প্রতিদিনকার নাস্তা হিসেবে এখানকার মানুষ ছোলা-মুড়িকেই প্রথম পছন্দে রাখেন। এর কারণ জানার চেষ্টা করেছি আমরা। রামু কলঘর বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান বলেন, এখানে আমি কাঁচা সবজির ব্যবসা করি। প্রতি সন্ধ্যায় নাস্তা হিসেবে ছোলা-মুড়ি খাই। এর প্রধান কারণ হচ্ছে মাত্র ২০ থেকে ৩০ টাকায় পেটপুরে খাওয়া যায়।

রামুতে দৈনিক কি পরিমাণ ছোলা-মুড়ি বিক্রি হয় তা জানতে চাইলে রামু চৌমুহনী কালীবাড়ির সামনের দোকানদার আলম জানান, আমি নিজেই দৈনিক এক মণের অধিক ছোলা রান্না করি, পিয়াজু দেড় মণের অধিক। সে হিসেবে সারা রামুতে দৈনিক পঞ্চাশ মণের অধিক ছোলা বিক্রি হতে পারে।

অন্যদিকে এসব ছোলা-মুড়ি বিক্রির মান নিয়েও একাধিক ভোজনরসিক প্রশ্ন তুলেছেন। মো: রানা বলেন, স্ট্রিট ফুড হিসেবে রামুতে যে পরিমাণে ছোলা-মুড়ি বা স্থানীয় ভাষায় চনামুড়ির চাহিদা ও জনপ্রিয়তা রয়েছে সে পরিমাণে বিক্রেতারা এসবের মাণ নিয়ন্ত্রণ করেন না। শীত মৌসুমে ধুলাবালি বেশি হলেও ধুলাবালি থেকে ছোলা-মুড়ি ও অন্যন্য নাস্তা রক্ষার জন্য কোন পদক্ষেপই নেই।

তাছাড়া আরও একাধিক সচেতন নাগরিক এবিষয়ে কথা বলেছেন। একাধিক ছোলা-মুড়িপ্রেমীদের দাবী স্বাস্থ্যকর পরিবেশে ছোলা-মুড়ি তৈরি ও বিক্রিতে যাতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

আরও খবর

Stay Connected

0FansLike
3,134FollowersFollow
19,100SubscribersSubscribe
- test Ad -spot_img

সর্বশেষ সংবাদ