সোমবার, জানুয়ারি ৩০, ২০২৩

বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ সবার আগে

প্রেমিককে কুপিয়ে মারলেন প্রেমিকা- অন্য নারীকে বিয়ে করাই কাল হল প্রেমিকের

টিটিএন ডেস্ক :

বৈবাহিক সম্পর্ক ছাড়াই তিন বছর স্বামী-স্ত্রীর মতো ঢাকায় বসবাস করে আসছিলেন আলীনূর বিশ্বাস ও আহিনা খাতুন। কিছুদিন আগে গ্রামের বাড়িতে এসে অন্য মেয়েকে বিয়ে করেন আলীনূর। এ খবর জানতে পেরে ক্ষুব্ধ হয়ে ভাড়া বাসায় ঘুমন্ত অবস্থায় বঁটি দিয়ে আলী নূর বিশ্বাসকে কুপিয়ে হত্যা করেন আহিনা। আটকের পর র‍্যাবের কাছে এই লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন অহিনা খাতুন।

নিহত আলীনূর বিশ্বাস মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার হোগলডাঙ্গা গ্রামের মো. বাহাদুর বিশ্বাসের ছেলে। গত ৩০ জুলাই আশুলিয়ার জিরাবো নামাপাড়া এলাকার একটি বাসায় তাকে হত্যা করা হয়। স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ঐ বাসাতেই ভাড়া থাকতেন আলীনূর ও আহিনা খাতুন।

আলীনূরের বড় ভাই নূর আলম বলেন, ❝আমার ছোট ভাই আলীনূর কোরবানির ঈদে বাড়ি আসলে পারিবারিকভাবে তাকে আমরা গত ১৪ জুলাই বিয়ে দেই। তার আগে ভাইকে আমরা জিজ্ঞাসা করেছি তার কোনো পছন্দ আছে কিনা। সে আমাদের জানায় তার কোনো পছন্দ নেই। তাই আত্মীয়-স্বজন মিলে শ্রীপুর উপজেলার খামারপাড়া গ্রামে তাকে বিয়ে দেই। এখনো নতুন বউকে আমরা ঘরে তুলতে পারিনি। তার আগেই আমার ভাই হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে।❞

নূর আলম আরও বলেন, ❝আমার ছোট ভাই ২০১৪ সাল থেকে ঢাকায় চাকরি করে। সম্প্রতি সে চাকরি ছেড়ে অটোরিকশা চালিয়ে সংসার চালাচ্ছিল। আমরা জানতে পেরেছি ঢাকায় থাকাকালীন অবস্থায় আসামি আহিনা খাতুনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে গভীর সখ্যতা গড়ে ওঠে। সস্পর্কের একপর্যায়ে দুইজন স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে সাভারের জিরাবো বাজার এলাকায় মা হোটেলের পাশে একটি টিনশেডের ভাড়া বাড়িতে বসবাস শুরু করে।❞

বিয়ের পর গত ১৭ জুলাই ঢাকায় ফিরে আলী নূর আবার আহিনার সঙ্গে বসবাস করতে থাকে। এরই মধ্যে আলী নূরের বিয়ের কথা জানতে পেরে আহিনার মনে ক্রোধ এবং প্রতিহিংসার সৃষ্টি হয়। গত ৩০ জুলাই রাতে খাবার শেষে উভয়েই ঘুমিয়ে পড়ে। আহিনা ভোররাতে আলী নূরকে ঘুমন্ত অবস্থায় বঁটি দিয়ে মাথা, গলা এবং বুকে কুপিয়ে হত্যা করে। পরে আশুলিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করলে র‌্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরপর র‌্যাবের হাতে ধরা পড়ে আহিনা খাতুন।

এদিকে র‌্যাব-৪ এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রাকিব মামুদ খান বলেন, আসামি আহিনার সঙ্গে নীলফামারীর মিজানুর রহমানের প্রথম বিয়ে হয়। পারিবারিক কলহের কারণে বিয়ের দেড় বছর পর তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। ওই পরিবারে আহিনার একটি ছেলে সন্তানও রয়েছে।

এ ঘটনায় আলী নূরের বাবা মো. বাহাদুর আলী বলেন, আহিনা খাতুন নামে একজন বিবাহিত নারীর সঙ্গে আমার ছেলের বিয়ে হয়েছে তা আমরা কেউ জানতাম না। সেও কোনো দিন আমাদের বিষয়টি বলেনি। তাই তাকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করিয়েছি। সম্প্রতি র‌্যাবের হাতে আমার ছেলের হত্যাকারী আটক হয়েছে। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ছেলের হত্যাকারীর বিচার দাবি করছি।

সর্বশেষ খবর

নির্মাতা কাওসার চৌধুরী পাচ্ছেন জাতীয় চলচিত্র পুরস্কার

নিজস্ব প্রতিবেদক: কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ির কৃতি সন্তান বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা ও অভিনেতা কাওসার চৌধুরী জাতীয় চলচিত্র পুরুষ্কার ২০২১ এর জন্য মনোনীত হয়েছেন। তিনিই প্রথম ব্যাক্তি...

পাঠ্যবই নিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

টিটিএন ডেস্ক: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, নতুন পাঠ্যক্রমে কোনো ভুলভ্রান্তি থাকলে তা সংশোধন করা হবে। তবে এ নিয়ে অপপ্রচার চলছে। আওয়ামী লীগ সরকার কখনো ইসলামের...

কক্সবাজারের ই”য়াবার মামলায় ৮ মিয়ানমার নাগরিকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আব্দুর রশিদ মানিক: দুই লক্ষ ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় আট রোহিঙ্গাকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেছে কক্সবাজারের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত। একইসাথে দন্ডিতদের প্রত্যেককে ১ লক্ষ টাকা...

২৭ দিনে ১৬৭ কো‌টি ডলার পাঠালেন প্রবাসীরা

টিটিএন ডেস্ক: বছরের শুরুতে প্রবাসী আয়ের ঊর্ধ্বমুখী ভাব অব্যাহত আছে। চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারির ২৭ দিনে ১৬৭ কো‌টি মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। টাকার অংকে যার...