বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২২

বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ সবার আগে

পিবিআই প্রধানসহ ৬ জনের নামে মামলার আবেদন বাবুল আক্তারের

টিটিএন ডেস্ক :

পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদারসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) হেফাজতে থাকার সময় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন দাবি করে নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলার আবেদন করেছেন সাবেক এসপি বাবুল আক্তার।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ড. বেগম জেবুন্নেছার আদালতে তিনি মামলার আবেদন করেন। মামলায় নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩ এর ১৫ (১) ধারা এবং সংশ্লিষ্ট আইনের ৫ (২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলায় আসামি করা হয়েছে- পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার, সংস্থাটির চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের এসপি নাজমুল হাসান, চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিটের এসপি নাঈমা সুলতানা, পিবিআইয়ের সাবেক পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা ও এ.কে.এম. মহিউদ্দিন সেলিম এবং সংস্থাটির চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের পরিদর্শক কাজী এনায়েত কবিরকে।

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ড. বেগম জেবুন্নেছার আদালতে মামলা গ্রহণের শুনানিতে বাবুল আক্তারের আইনজীবীরা অভিযোগ করে জানান, ২০২১ সালের ১০ মে থেকে ১৭ মে পর্যন্ত সময়ে পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো ও জেলা অফিসে বাবুল আক্তারের উপর নির্যাতন করা হয়। স্ত্রী হত্যার ঘটনায় মিথ্যা স্বীকারোক্তি দেওয়ার জন্য বাবুল আক্তারের সঙ্গে নিষ্ঠুর আচরণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন আইনজীবীরা।

বাবুল আক্তারের মামলার আবেদনের বিষয়ে পরে আদেশ দেওয়া হবে বলে আদালত জানান। তবে এ বিষয়ে এখনই কিছু বলতে রাজি হননি শুনানিতে অংশ নেয়া বাবুল আক্তারের আইনজীবী কফিল উদ্দিন।

২০১৬ সালের ৫ জুন চট্টগ্রাম নগরের জিইসি মোড় এলাকায় গুলি করে ও কুপিয়ে মাহমুদাকে হত্যা করে দুর্বত্তরা। এ সময় তিনি বড় ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে জিইসি মোড়ে গিয়েছিলেন। ঘটনার সময় বাবুল ঢাকায় ছিলেন। পরে তিনি চট্টগ্রামে গিয়ে ওই ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। বাবুলের করা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়ে তার শ্বশুরের করা মামলার অভিযোগপত্রে তাকে প্রধান আসামি করা হচ্ছে।

পিবিআইয়ের দাবি, বাবুল আক্তারের পরিকল্পনা ও অর্থায়নে মাহমুদা খানম মিতুকে হত্যা করা হয়। অন্য নারীর সঙ্গে সম্পর্কের জেরে তিনি স্ত্রী মাহমুদাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। এ জন্য সোর্সের (তথ্যদাতা) মাধ্যমে তিনি তিন লাখ টাকায় খুনি ভাড়া করেন।

অন্যদিকে বাবুল আক্তারের বাবা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া অভিযোগ করেছেন, মিতু হত্যা মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত না করে সাবেক এসপি বাবুল আক্তারকে জড়ানোতে বেশি সচেষ্ট তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে মিথ্যা সাক্ষী সাজিয়ে স্ত্রী হত্যায় জড়িত প্রমাণ করে বাবুলের সাজা হয়তো দেওয়া যাবে, কিন্তু এই তদন্ত সংস্থার মাধ্যমে মিতু হত্যার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন সম্ভব হবে না।

সর্বশেষ খবর

কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে আমরা প্রস্তুত : খাদ্যমন্ত্রী

টিটিএন ডেস্ক : সরকারিভাবে খোলাবাজারে বিক্রি ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু হওয়ায় ইতোমধ্যে বাজারে চালের দাম কেজি প্রতি ৫ থেকে ৬ টাকা...

কোয়ার্টার ফাইনালে কক্সবাজার ক্রিকেটার্স ফোরাম

মোজাম্মেল হক: ফয়সালের ব্যাটিং তান্ডবে চাঁদপুরে বিসিবি কাউন্সিলর কাপে রায়পুর কে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় পেলো কক্সবাজার ক্রিকেটার্স ফোরাম। ৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টায় চাঁদপুর...

মহেশখালীতে প্রতিনিয়ত বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা

কাব্য সৌরভ,মহেশখালী: মহেশখালীতে প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েই চলেছে। অপ্রাপ্তবয়স্ক, প্রশিক্ষণহীন চালকের বেপরোয়া গতি প্রতিদিনই কেড়ে নিচ্ছে কারো না কারো প্রাণ। মহেশখালীর প্রধানসড়ক জুড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাজার...

১ বছরে হুন্ডির মাধ্যমে পাচার ৭৫ হাজার কোটি টাকা

টিটিএন ডেস্ক : বাংলাদেশ থেকে গত এক বছরে ৭৮০ কোটি ডলার বা ৭৫ হাজার কোটি টাকা হুন্ডি ব্যবসায়ীরা পাচার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত...